সাহিত্য সাধক উত্তম
কে বড়ুয়া:
জন্মদিনের শুভেচ্ছাবিপুল চন্দ্র রায়
২০২৫ সালের এক
অলস দুপুর। মুঠোফোনের স্ক্রিনে টুং করে
একটা নোটিফিকেশন
ভেসে উঠল। অপরিচিত নাম—উত্তম কে
বড়ুয়া।
মেসেজটি ছিল
সংক্ষিপ্ত কিন্তু ভীষণ মার্জিত।শুধু সাহিত্যের
প্রতি এক
গভীর অনুরাগের
বহিঃপ্রকাশ। সাহিত্যের
প্রতি ভালোবাসা
দেখে ওনার
প্রতি শ্রদ্ধা-ভক্তি বেড়ে
গেছে আমার।
২০২৫ সালের সেই
হঠাৎ আলাপ
এক বছরের
মাথায় এসে
আজ তিনি
এক নিবিড়
শ্রদ্ধার জায়গায়
দাঁড়িয়েছেন। আজ তার জন্মদিন। কিছু কথা না বললেই
নয়।
কবিতা কেবল শব্দের
কারুকার্য নয়, বরং কবির অন্তরের
গহীন থেকে
উঠে আসা
এক অনিঃশেষ
হাহাকার ও
সত্যের প্রকাশ। কবি উত্তম কে বড়ুয়া
তাঁর লেখনীর
মাধ্যমে সেই
সত্যকেই বারবার
স্পর্শ করেছেন। আজ তাঁর জন্মদিনে আমরা
কেবল একজন
মানুষকে স্মরণ
করছি না,
বরং এক
সুনিপুণ কাব্যচাষী
এবং তাঁর
কাব্যদর্শনকে শ্রদ্ধা করছি।
উত্তম কে বড়ুয়ার
কবিতায় প্রেম,
প্রকৃতি, মানবতা
এবং আধ্যাত্মিকতা
এক অদ্ভুত
রসায়নে মিশে
থাকে।
শৈশবের স্মৃতি
এবং বাংলার
নিসর্গ এক
অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরা দেয়
তাঁর কবিতায়।
বৌদ্ধ দর্শন ও
অহিংসা: জন্মসূত্রে
এবং চেতনায়
বুদ্ধের দর্শনের
প্রভাব তাঁর
অনেক লেখায়
শান্তি ও
সহমর্মিতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
সাহিত্য ও সৃষ্টিশীলতা
উত্তম কে
বড়ুয়া কেবল
একজন কবি
নন।
তিনি একাধারে
গল্পকার, সম্পাদক
এবং একজন
দক্ষ সংগঠক। প্রবাসে বাংলা ভাষা ও
সংস্কৃতির চর্চাকে এগিয়ে নিতে তিনি
নিরলস কাজ
করে যাচ্ছেন। একজন সম্পাদক হিসেবে তিনি
নতুন লেখকদের
সুযোগ করে
দিয়েছেন এবং
প্রবাসে বাংলা
সাহিত্যের ভিত মজবুত করেছেন।
তাঁর সম্পাদিত
পত্রিকার নাম
দেশসূচক ই-সাহিত্য পত্রিকা
। তাঁর সুযোগ্য
নেতৃত্বে দেশ-বিদেশের মাটিতেও
বাংলা সাহিত্য
আজ এক
ভিন্ন উচ্চতায়
আসীন।
ব্যক্তি হিসেবে উত্তম কে বড়ুয়া অত্যন্ত বিনয়ী ও অমায়িক। ১৯৬৪ সালে জন্মানো এই গুণী মানুষটি জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সাহিত্যের একনিষ্ঠ সেবক হিসেবে। তাঁর জীবনদর্শন মূলত মানবিকতা ও সৃজনশীলতার এক অপূর্ব সমন্বয়।
১৭ই জানুয়ারি তাঁর
জন্মলগ্নকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা
তাঁর দীর্ঘায়ু
ও সুস্বাস্থ্য
কামনা করি। তাঁর কলম চলুক অবিরাম,
তাঁর চিন্তা
ছড়িয়ে পড়ুক
বিশ্বময়।
উত্তরোত্তর সাফল্যে ভরে উঠুক তাঁর
জীবন।
শুভ জন্মদিন,
প্রিয় কবি
উত্তম কে
বড়ুয়া!
0 Comments