ভালোবাসা দিবস সংখ্যা-২০২৬

***********************
গল্প:
***********************

বাঁকা ঠোঁটের হাসি
আজহারুল ইসলাম আল আজাদ

বাঁকা ঠোঁটের হাসি কখনো হঠাৎ ফুটে ওঠে, যেন কেউ নীরবে জানালার কাচে আঙুল বুলিয়ে দেয়—অর্থহীন, তবু স্পর্শে লেগে থাকে এক অনির্বচনীয় কম্পন। এ হাসির ভেতরে থাকে ব্যথার পাতলা জলীয় পর্দা, যা ভাঙলে চোখের ভেতর ঘুরে বেড়ানো পুরোনো দুঃখগুলো ছিটকে বাইরে চলে আসতে পারে। তাই মানুষ হাসিটাকে সামান্য বাঁকিয়ে রাখে—যেন সব কথা না-ই ফুটে ওঠে, সব সত্য না-ই প্রকাশ পায়।
এ হাসিতে কখনো শিশুর মতো উচ্ছ্বাস নেই, নেই নদীর মতো দোলা। বরং আছে অনেকটা শুকনো পাতার মতো শব্দহীন ঝরা—যা দেখে কেউ বুঝতে পারে না গাছটা ঠিক কতটা ব্যথা পেয়েছিল। বাঁকা ঠোঁটের হাসি তাই প্রায়ই ভুল বোঝার জায়গা তৈরি করে; কেউ মনে করে এতে আছে অহঙ্কার, কেউ বলে বিদ্রূপ, কেউ ভাবে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য। অথচ সত্যি হলো—হাসিটা কেবল ক্লান্তির জানালা, যেখান দিয়ে একটু আলো ঢোকে, কিন্তু পুরো ঘর আলোকিত হয় না।
জীবনের অসংখ্য ঘটনাই মানুষকে এমন হাসি শিখিয়ে দেয়। কখনো নিজের পরাজয়, কখনো অন্যের বিশ্বাসঘাতকতা, কখনো সীমাহীন ভালোবাসার মাঝেও জন্ম নেয়া ক্ষুদ্র শূন্যতা। সব মিলিয়ে হাসিটা বাঁকা হয়ে যায়, যেন মানুষ আর পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারে না—তবু হার মানতেও চায় না। তাই একপ্রকার যোদ্ধার ভঙ্গিতে ঠোঁটের কোণে সামান্য বাঁক রেখে দাঁড়িয়ে থাকে—জগৎকে দেখে, মানুষকে বোঝে, আবার না-ও বোঝে।
কখনো এই হাসি এমন এক প্রহেলিকা তৈরি করে যে, আপনি যতই তাকিয়ে থাকুন, অর্থের ধরা মিলবে না। মনে হবে, এই মানুষটি কি দুঃখ লুকোচ্ছে, নাকি আনন্দ? সে কি রাগে হাসছে, নাকি নিজেকে সামলে নিচ্ছে? আবার মনে হবে সে যেন জীবনের অতি পরিচিত প্রশ্নগুলোকে চুপ করানোর জন্য মুখের কোণে একটু তির্যক রেখা এঁকে দিল—যেন বলতে চায়, “তোমরা যা খুশি ভাবো, আমি আমার সত্য নিজের কাছেই রেখে দেব।”
 
কিন্তু বাঁকা ঠোঁটের হাসির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এটি এক ধরনের অন্তরঙ্গ স্বীকারোক্তি, যা শব্দে প্রকাশ করা যায় না। এটি এক অদৃশ্য কবিতা, যা কেবল মানুষ তার নিজের ভাঙা অংশটার সঙ্গে ভাগ করে নেয়। যেন সেই হাসির ভেতর দিয়ে বলা হয়:
“আমাকে দেখে বোঝা যাবে না, তবু আমি ভেঙে পড়িনি।”
“আমাকে ভুল মনে হতে পারে, তবু আমি ভুল নই।”
“আমার সব কথা বলতে পারি না, তবু আমি নীরবও নই।”
বাঁকা ঠোঁটের হাসি এমনই এক সম্মতি—জীবনের প্রতি, যন্ত্রণার প্রতি, আবার নিজের প্রতি। এতে না থাকে পূর্ণ উজ্জ্বলতা, না থাকে অন্ধকারের পুরো দখল—এটি সীমান্তে দাঁড়ানো এক ক্ষুদ্র আলোছায়া, যা জানায় মানুষ এখনও টিকে আছে, এখনও লড়ে যাচ্ছে, এখনও সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েনি।
এ হাসি শেষ পর্যন্ত জীবনের কঠিনতম পাঠ শেখায়—প্রতি ক্ষতই শব্দে প্রকাশ করা জরুরি নয়। মাঝে মাঝে একটা বাঁকা হাসিই বলে দেয় সমস্ত ইতিহাস।
 
 
 

 ***********************
গল্প:
***********************

    চম্পার বিয়ে
  নার্গিস আক্তার

আমি চম্পা আমার বিয়ে হয়েছে একজন শিক্ষিত পুরুষের সঙ্গে নাম তার নিলয়। ঠিক বিয়ের প্রথম দিন থেকে আমাকে চোখে দেখতে পারছে না। মনে হয় আমি একটা অজগর সাপ মানুষের শত্রু। আমি বুঝি কিন্তু আমার কিছু করার ছিল না যেহেতু সব মানুষ সমান হয় না। তাই আমি চিন্তা করতে থাকি চেষ্টা চালিয়ে যাই। দেখি মন পাওয়া যায় কিনা কিন্তু হায় কি কপাল যে ভালো হয় না। সে কখনো ভালো হতে চায় না। আমার সঙ্গে অনেক দুর্ব্যবহার করে বিয়ের প্রথম দিন থেকে। এই সময় আমি বাপের বাড়ি তাই গায়ে হাত তোলেনি। প্রথমে আমাকে মেসে নিয়ে তুলে একটা রুমে। বাকি রুমগুলোতে পুরুষ মানুষ থাকতো। আমি ভীষণ ভয় পেতাম কখনো কোনদিন পুরুষের মধ্যে থাকার অভ্যাস নেই তবুও থাকতে হলো। প্রথম রাতে আমাকে একটি আলাদা বিছানা দিল। নিলয় তার সিঙ্গেল একটা খাটে ঘুমালো। আমার ঘুম আসছে না, ভীষণ ভয় ভয় করছে। আমি ভয় পাচ্ছি একা নতুন পরিবেশ নতুন জায়গা তারপর বাকি রুমগুলোতে ছাত্র চকুরিজীবী পুরুষ ম্যাচ করে থাকে। ঘুম পাচ্ছে না চোখ বন্ধ করে আছি, মনে হচ্ছিল কোনো ভুত পেত্নী এসে আমাকে গলা টিপে মেরে ফেলবে। সময় সময় মনে হচ্ছিল কোন ভয় দেখব চোখ বন্ধ করে আছি পৃথিবীতে বেঁচে আছি বলে মনে হচ্ছে না চোখ দিয়ে ভীষণ পানি পড়ছিল। এরমধ্যে সারারাত গুড়ুম গুড়ুম কিসের যেন শব্দ হচ্ছিল। চোখ থেকে অজস্র পানি পড়ছে ,বুকে ভয় লাগছে কিন্তু হায় কাকে বলব, বললে কোন কথা শুনে না, ফিরেও চায় না! আমি মরি বাঁচি তাঁর কিছু যায় আসে না।কথা বলতে গেলে গায়ে হাত তুলে এমন ভাবে শরীর থেকে রক্ত ঝরে, সারারাত ব্যথায় কাতরানো ছাড়া কোন উপায় ছিল না। সারারাত ঘুম হলো না ব্যথায় শরীর অবাস হয়ে পড়ে রইলো। কিন্তু নিলয় সারারাত নাক ডেকে ঘুমিয়ে রইলো। চম্পা একদিকে ভয় অন্যদিকে শরীরের ব্যথার যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছে না। সে নিলায় কে ডাকে আমার খুব ভয় পাচ্ছে। নিষ্ঠুর নিলয় চিৎকার করে বলে উঠল, যার যার ঘুম সে সে ঘুমাক। দ্বিতীয়বার বলতে গেলে তেড়ে এসে গায়ে হাত তুলবে আশেপাশে ম্যাচের ছেলেপেলে দৌড়ে আসবে এই লজ্জায় চম্পা সারারাত ভয়ে কাঁথা মুড়ি দিয়ে কুরি মুড়ি হয়েছিল। সময় সময় এমনভাবে মারধর করে ম্যাচের ছেলেপেলে আসে জিজ্ঞাসা করে কি হয়েছে দাদা? চম্পাকে উল্লেখ করে বলে, আমাকে বলেছে এই সেই মিথ্যা অপবাদ এমন ভাবে বলে যেন সবাই বিশ্বাস করে । হঠাৎ ভোরের দিকে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম যখন আমার ঘুম ভাঙ্গে তখন আমি দেখিনি রুমের দরজাটা খোলা মেসেজ ছেলে দের কথা শোনা যাচ্ছে। ওরা আমার রুমের সামনে দিয়ে ঘোরাফেরা করছে আমি ভীষণ ভয় পাচ্ছি এবং দরজাটা আটকে দিলাম। রুমের মধ্যে একটা বাজারের ব্যাগ দেখতে পেলাম ভাবলাম বাজার রেখে গেছে। আসলে ওটা বাজার ছিল না ,কি ছিল আমি দেখিনি? দেখবার মতন মন মানসিকতা ছিল না। কোন বাজার ঠিকমতন না করে দিয়ে নিজে বাইরে খেয়ে নিতো ।আমি সারাদিন না খেয়ে উপাস থাকতাম। প্রচন্ড ক্ষুধা লেগেছে কি খাব চিন্তা করতে করতে ব্যাগে হাত দিলাম ব্যাগের মধ্যে দুই কেজি পরিমাণ ছোট মাছ কিছু মরিচ পিয়াজ একটা লাউ। এমন ছোট মাছ কাটতে চার পাঁচ ঘন্টা লেগে যায়। ম্যাচের লোকদের রান্না বুয়া করছে ওই ফাঁকে মাছ গুলো আমি কেটে ধুয়ে ফেললাম। সবকিছু রেডি করে ফেলেছি বুয়ার রান্না শেষ আমি এখন কি করব দুশ্চিন্তা আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে ‌এমনিতে জার্নি করে এসেছি তারপর সারারাত ঘুমোতে পারিনি। এখন মাছটা রান্না করব তেমন কোনো হাড়ি কড়াই নেই। ম্যাচের একটা পাতিলে ছোট মাছগুলো রান্না করে রুমের মধ্যে এনে রেখেছি। কিন্তু নিলয় সারা দিনের মধ্যে বাসায় আসেনি। আমি জানিনা কোথায় গিয়েছে কেন গিয়েছে ? আমাকে বলবার কোন প্রয়োজন মনে করে না। জানবার অধিকারটুকু আমার নেই। রান্নাবান্না করে ঘরের মধ্যে এসে দরজা আটকে বসে আছি সারাটা দিন। মনে হতো কোন দোজখের অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে আমাকে আমার পরিবার ফেলেছে। সন্ধ্যার দিকে নিলয় এসে দরজা নক করছে আমি বারবার বললাম কে কে কিন্তু উত্তর দিল না। আমি ভয়ে খুলছি না ম্যাচের ছেলে পেলে যদি হয়। দুই তিন মিনিট কড়া নাড়ার পরে আমি দরজাটা খুলে দিই। তারপর ঝগড়া করে বলে আমি বাহির থেকে এসেছি দরজা খুলতে এত দেরি হল কেন? আমি বললাম আমি ভেবেছি মেসেজ কোন ছেলে হবে তাই ভয়ে দরজা খুলিনি। কে শুনে তার কথা। আমাকে গরু ধান মরাই করলে যেমন পিটায় ঠিক তেমনি আমাকে বেদম প্রহর করলো। তারপর নিজের খাওয়া শেষ করে ম্যাচের ছেলেদের সঙ্গে রাত দুইটা তিনটা পর্যন্ত গল্প গুজব কাটিয়ে দিল। আমি কান্নাকাটি করে ফ্লোরে বসে ছিলাম দরজা খোলা ছিল দরজা আটকে দিলে আবার নয় দোষ হয়। তাই ভয়ে দরজা খোলা রেখেছি। গল্প অট্টহাসিতে ম্যাচের ছেলেদের সঙ্গে কাটাচ্ছে আর আমার বদনাম করছে আমি সব শুনতে পাচ্ছি। কিন্তু প্রতিবাদ করার ক্ষমতা ছিল না আমার। কোন প্রতিবাদ করলে আমাকে মেরেই ফেলবে। আজ দ্বিতীয় রাত প্রথম রাতের মতন কাতরাতে হল। আমি নীরব নিস্তব্ধ ক্ষুধার্ত চোখের কান্নায় কাটিয়ে দিই সারা রাত। চম্পার জীবন ,কষ্টের সীমারেখা পেরিয়ে সাত সমুদ্র তের নদী দিতে হলো পাড়ি।
  
***********************
ছড়া-কবিতা:
***********************
 
ভালোবাসি মা
মো. সাব্বির হোসেন টুটুল
***********************
 
ভালোবাসি যাকে সে আমার প্রিয় মাকে
জননী আমার সব,
বড় ভালোবাসি  মায়ের মুখের হাসি
মাতা যে আমার ভব।
পৃথিবীর বুকে আছি বড় দুখে
জননী নিকটে নাই,
খুব করে খুঁজি চাঁদে আছে বুঝি
আমি তাই সেথা যাই।
আকাশের পানে আছে কোন খানে
তারার মেলায় দেখি,
বুক ভরে ডাকি দেয় শুধু ফাঁকি
সত্যি জননী সে কী?
জননী যে আলো দূর করে কালো
সুখের ঠিকানা তিঁনি
রাখে খুব বুকে দুখ দেয় চুকে
আমার জননী যিনি।
সোনা মাখা সুখ জননীর মুখ
প্রাণের মা কোথা তুমি,
এসো আমা কাছে বসো শির পাশে
চরণে দিব যে চুমি।
  
তোমারই প্রতীক্ষায়
রকিবুল ইসলাম
***********************

যখন আমি এই ধরাতে আর থাকব না,
যখন সময়ে-অ'সময়ে আর তোমাকে বিরক্ত করব না,,,
আমার দৃঢ় বিশ্বাস,,তখন,তুমিও কাঁদবে,তুমিও পুড়বে।
পিছু ফিরে দেখবে,এই বুঝি কেউ এল।
অচেনা বাতাসে শুনবে,এই বুঝি সেই অনাহুত,
অনাকাঙ্খিত কারো পায়ের আওয়াজ শোনা গেল,
এই বুঝি মোবাইলটা বেজে উঠল।
প্রকৃতির সকল সৃষ্টির ডাক শুনে মনে হবে,,,
সেই চির উপেক্ষিত-সদা অবহেলিত
কেউ বুঝি তোমাকে ডেকে গেল,আর বলে গেল,,
ফিরে আয়,,,ফিরে আয় আমার হৃদয়ে।
এখন, আমার উপস্হিতি তোমার বিরক্তির কারণ,
আর তখন আমার অনুপস্হিতি হবে তোমার দুঃখের কারণ।
কাঁদবে তুমিও।তবে,আড়ালে,আত্মগোপনে।
দগ্ধ হবে অন্তর্জ্বালায়,ভিতরটা পুড়ে ছাই হয়ে যাবে,,।
কাউকে কিছুই বলতে পারবে না।
তোমার অদম্য মনোবলে তখন চিড় ধরবে।
একাকী তুমি খুঁজে পাবে না কোন দিশা।
ডানা ঝাপটে উড়ে বেড়াবে এদিক-সেদিক,,,,
একটু ছায়া সুনিবিড় পরিবেশের সুশীতল আশ্রয়ের জন্য।
একটু প্রবোধ ও প্রশ্রয়ের জন্য,
একটু শীতল পরশের জন্য,একটু রগরগে উঞ্চতার জন্য।
তখন,আমি? আমি হয়ত
এই ধরণীর মায়া-মমতা ত্যাগ করে পাড়ি জমাব ওপারে।
তখন,কে তোমার খবর নেবে,,,,?
কালের পরিক্রমায় আবার হয়ত তোমার সুদিন ফিরবে,
আসবে বসন্ত,,,।
আর আমি?আমি তখন নিমজ্জিত নিগুঢ়,
গাঢ় কোন অন্ধকারের অতল গহ্বরে,,,,!
হাজারো বেদনাকে সঙ্গী করে নিয়ে থাকব হয়ত তোমারই প্রতীক্ষায়,,,,,!!
ভাল থাকুক আমার মহারাণী,নির্বিঘ্ন হোক তার জীবন।
 
 
জীবন
স্বর্ণা তালুকদার
***********************

চলো আজ শপথ করি
হিংসা ভুলে সত্যের পথ ধরি,
সময় চলুক নীতি কেন  অস্থির,
সুখ স্বপ্নের বিনিময়ে  হাজার গল্প
কড়া নাড়ে অল্প  অল্প।
চলে  জীবন মিষ্টি মোহন ভালো
কখনো অন্ধকার  কখনো আলো
কখনো লক্ষ তারা আশা
কখনো সচেতন বদলে যায় পাশা।
মানবতা হলো জীবনে মুল
নতুন আশার জাগে  ফুল।
 
  
আজ যদি আমার প্রিয়সী থাকতো
বিপুল চন্দ্র রায়
***********************

শূন্য পালঙ্কে বসে ভাবি
আজ যদি আমার প্রিয়সী থাকতো!
এই তপ্ত বৈশাখের অবসরে,
আমরা হয়তো কোনো নিভৃত কুঞ্জবনে হারাতাম,
সেখানে চলতো অবিরাম গল্পের মায়াজাল আর বাক্য বিনিময়।
তার তনুতে আছড়ে পড়তো আমার সহস্র খুনসুটি,
অকারণে হেসে ওঠা কিংবা চপলতায় মেতে ওঠা প্রণয়-রঙ্গ।
মৃদু সমীরণে তার কেশরাশি অবাধ্য হয়ে আমায় ছুঁত,
আর আমি সেই অছিলায় তার ললাটে পড়িয়ে  দিতাম লালটিপ।
আড্ডা জমত নিবিড় আবেশে, চায়ের কাপের ধূম্রজালে,
কত সহস্র গল্প হতো  অনাগত কোনো মহাকালের।
কিন্তু আজ শব্দরা সব মৌনব্রতী, বাক্যরা পরিশ্রান্ত ভীষণ,
আমার শূন্যতার এই পাষাণভার বয়ে চলে বিমর্ষ অনুক্ষণ।
মোর স্বপ্নাতুর এই জীবন মাঝে, তুমি আছো ছায়ার মতন,
আজ যদি থাকতে পাশে, সার্থক হতো এই তুচ্ছ জীবন।

Post a Comment

0 Comments